THE EXPOZIOUS DESK: আপ (আম আদমি পার্টি) এর রাজ্যসভা সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha) সম্প্রতি পার্লামেন্টে (রাজ্যসভায়) একটা বড় ইস্যু তুলে ধরেছেন। প্রাইভেট স্কুলগুলো প্রতি বছর বাচ্চাদের কাছ থেকে “রি-অ্যাডমিশন ফি” (re-admission fee) আদায় করছে, যদিও সেই বাচ্চা আগে থেকেই ওই স্কুলে ভর্তি আছে এবং শুধু ক্লাস প্রমোট হয়ে পরের ক্লাসে যাচ্ছে। চাড্ডা এটাকে “অন্যায় এবং অপ্রয়োজনীয়” বলে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন।
চাড্ডা ঠিক কী বলেছেন পার্লামেন্টে?
রাজ্যসভায় বক্তৃতায় রাঘব চাড্ডা বলেন:
“যদি একটা বাচ্চা ইতিমধ্যেই ওই স্কুলে পড়ছে এবং পরের ক্লাসে উঠছে, তাহলে প্রতি বছর আবার ‘রি-অ্যাডমিশন ফি’ কেন নেবে? এটা তো নতুন ভর্তি নয়! এটা পুরোপুরি অন্যায় এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ।”
তিনি আরও বলেন, এই ফি প্রায়ই হাজার হাজার টাকা (কখনো লাখ টাকা পর্যন্ত) হয় এবং স্কুলগুলো এটাকে “অ্যাডমিশন”, “ডেভেলপমেন্ট ফি” বা অন্য নামে চাপিয়ে দেয়। চাড্ডা দাবি করেছেন:
এই প্র্যাকটিস বন্ধ করা উচিত।
কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে রিভিউ করতে হবে।
এটা শুধু একটা ফি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় অতিরিক্ত খরচের বড় উদাহরণ।
কেন এই ইস্যু এত গুরুত্বপূর্ণ?
মধ্যবিত্তের যন্ত্রণা: অনেক বাবা-মা বলছেন, প্রতি বছর এই ফি + অন্যান্য চার্জ মিলিয়ে স্কুল ফি ৫০-৭০ হাজার টাকা বেড়ে যায়। করোনা পরবর্তী সময়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির যুগে এটা অনেক পরিবারের কাছে অসহনীয়।
প্রথমবার পার্লামেন্টে: সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে বলছেন, রাঘব চাড্ডা এই ইস্যু প্রথমবার পার্লামেন্টে তুলেছেন। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ এই বক্তৃতার পর থেকেই বিষয়টা ভাইরাল।
প্যারেন্টসের প্রতিক্রিয়া: ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুকে হাজার হাজার কমেন্ট এসেছে — “একদম সঠিক কথা বলেছেন”, “আমাদের স্কুলও প্রতি বছর এটা নেয়”, “সরকার এখন কিছু করুক”।
ব্যাকগ্রাউন্ড
ভারতে প্রাইভেট স্কুলগুলোতে “অ্যাডমিশন ফি” একবারই নেওয়ার কথা, কিন্তু অনেক স্কুল প্রতি বছর “রি-অ্যাডমিশন” নামে আবার নেয়। এটা আইনত কতটা বৈধ তা নিয়ে এখনই বিতর্ক শুরু হয়েছে। চাড্ডা বলেছেন, এটা শিক্ষাকে ব্যবসা বানিয়ে ফেলছে এবং সাধারণ মানুষের সন্তানদের পড়াশোনা চালানো কঠিন করে দিচ্ছে।
রাঘব চাড্ডার দাবি:
“যদি বাচ্চা স্কুল ছাড়ছে না, তাহলে নতুন ভর্তির ফি কেন? এটা বন্ধ করুন, মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিন।”
এই বক্তৃতার পর শিক্ষামন্ত্রক বা রাজ্য সরকারগুলোর কাছ থেকে এখনও কোনো অফিসিয়াল রেসপন্স আসেনি, কিন্তু প্যারেন্টস গ্রুপগুলো এখন জোরালো দাবি তুলছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল:
ইনস্টাগ্রাম রিল ও ফেসবুক পোস্টে লক্ষাধিক ভিউ এবং শেয়ার হয়েছে। অনেকে বলছেন, “এই প্রথম কোনো সাংসদ স্কুল ফি-এর এই লুটপাট নিয়ে কথা বললেন!”
কী হবে পরবর্তী?
যদি সরকার এই বিষয়ে নোটিশ জারি করে বা আইন করে “রি-অ্যাডমিশন ফি” বন্ধ করে, তাহলে লক্ষ লক্ষ পরিবারের লাভ হবে। রাঘব চাড্ডা এই ইস্যুতে আরও চাপ বাড়াতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
#RaghavChadha #ReAdmissionFee #SchoolFees #AAP #ParentsVoice #EducationReform

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন