ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ সপ্তম দিনে, ‘অদেখা অস্ত্র’ ব্যবহারের হুঁশিয়ারি তেহরানের

The Expozious Desk: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলা সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ এখন সপ্তম দিনে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তারা এখনও তাদের সব অস্ত্র ব্যবহার করেনি এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে “ভয়াবহ আঘাত” হানার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এই হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। 

ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা এখনও তাদের উন্নত প্রযুক্তির কিছু অস্ত্র ব্যবহার করেনি। প্রয়োজন হলে সেই ‘অদেখা অস্ত্র’ ব্যবহার করে শত্রুদের ওপর আরও বড় আঘাত হানা হবে।

এদিকে যুদ্ধের শুরু থেকেই দুই পক্ষই একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি, তাদের লক্ষ্য ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক সক্ষমতাকে দুর্বল করা। অন্যদিকে ইরান বলছে, তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করছে এবং আগ্রাসনের জবাব দিতেই এই পাল্টা আক্রমণ।

এই সংঘাত শুরু হয় ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের একাধিক স্থানে হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা যায়। এরপরই ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। 

যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে পড়তে শুরু করেছে। পারস্য উপসাগর অঞ্চলের বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। 

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই সংঘাত যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা গোটা মধ্যপ্রাচ্যে বড় আকারের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। দুই পক্ষই সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে এবং নতুন হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।


মন্তব্যসমূহ